ইস্তিগফার
ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর ৩ বার
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
অর্থ
কখন কী পড়তে হয়: নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যা, দৈনন্দিন জীবন, বিপদ, পরিবার
সব দোয়ার আরবি পাঠ ও অর্থ কুরআনের ডেটা বা হাদীস গ্রন্থ (বুখারী, মুসলিম, আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) থেকে নেওয়া। প্রতিটি কার্ডে গ্রন্থ, হাদীস নম্বর ও মান দেখানো আছে।
ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর ৩ বার
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ
অর্থ
ফরজ নামাজের পর, ইস্তিগফারের পরে
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ
অর্থ
প্রতি ফরজ নামাজের পর
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
উচ্চারণ
আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ূম, লা- তা’খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়া লা- নাউম, লাহূ মা- ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়া মা- ফিল আরদ, মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহ, ইয়া‘লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়া মা- খালফাহুম, ওয়া লা- ইউহী-ত্বূনা বিশাইয়িম মিন ‘ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ, ওয়াসি‘আ কুরসিইয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ, ওয়া লা- ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল ‘আযী-ম।
অর্থ
ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার
سُبْحَانَ اللَّهِ
অর্থ
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) .... শুবাহ হতে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা দ্বারা পবিত্রতা লাভ করবে। অতঃপর তিনি আড়াল করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৪২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার
الْحَمْدُ لِلَّهِ
অর্থ
ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার
اللَّهُ أَكْبَرُ
অর্থ
৩৩+৩৩+৩৩ পূর্ণ করার পর
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
অর্থ
নামাজের পর (ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার)
قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ
উচ্চারণ
কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূ কুফুওয়ান আহাদ।
অর্থ
বল, তিনি আল্লাহ, এক অদ্বিতীয়, আল্লাহ কোন কিছুর মুখাপেক্ষী নন, সবই তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেন না, আর তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নয়।
নামাজের পর
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিং শাররি মা-খালাক্ব। ওয়া মিং শাররি গা-সিক্বিন ইযা-ওয়াক্বাব। ওয়া মিং শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিং শাররি হা-সিদিন ইযা-হাসাদ।
অর্থ
বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি সকাল বেলার রব-এর, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে, আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এবং (জাদু করার উদ্দেশ্যে) গিরায় ফুৎকারকারিণীদের অনিষ্ট হতে, এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।
নামাজের পর
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ مَلِكِ ٱلنَّاسِ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ
উচ্চারণ
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স। মালিকিন না-স। ইলা-হিন না-স। মিং শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াসবিসু ফী সুদূরিন না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।
অর্থ
বল, ‘আমি আশ্রয় চাচ্ছি মানুষের প্রতিপালকের, মানুষের অধিপতির, মানুষের প্রকৃত ইলাহর, যে নিজেকে লুকিয়ে রেখে বার বার এসে কুমন্ত্রণা দেয় তার অনিষ্ট হতে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে (এই কুমন্ত্রণাদাতা হচ্ছে) জিন্নের মধ্য হতে এবং মানুষের মধ্য হতে।